মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনে পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ১৪১টি মব হামলায় ২৮৯ জন আহত হয়েছে।
৫ মাসে ১৪১ ‘মব’, ৫২ জনের প্রাণহানি

এই ৫ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মব হামলার ঘটনা ঘটেছে মার্চে। মৃত্যুও এই মাসে বেশি ছিল। মার্চে ৩৯টি ঘটনায় উচ্ছৃঙ্খল জনতার হাতে নিহত ১৩ ও আহত ৯৬।
অন্তর্বর্তী সরকার মব সামাল দি
তে ব্যর্থ বলে অভিযোগ উঠেছে অনেক পক্ষ থেকে। রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও এনিয়ে কথা বলেছেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে মব নিয়েন্ত্রণে কাজ করছে বলে জানিয়েছে আসছে। একাধিক ঘটনার পর সরকার বিবৃতি দিয়ে কঠোর হওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে।
‘মব জাস্টিস’-এর নামে হামলার ঘটনায় নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ সব রাজনৈতিক দলই বিভিন্ন ঘটনার পর মবের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান জানিয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশের এআইজি (মিডিয়া) ইনামুল হক সাগর বলেন, ‘যারা মবের সঙ্গে জড়িত তাঁদের কিন্তু আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই ঘটনা আর ঘটুক এটি আমরা আর প্রত্যাশা করি না। যদি কেউ এমন ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করে তাহলে তাঁকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’
মব সন্ত্রাসকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্রসহ একাধিক মানবাধিকার সংস্থা। এক্ষেত্রে সরকারের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই বলেও মত তাদের। তাদের মতে, ‘ইনজাস্টিস মবকে’ একটি পক্ষ ‘মব জাস্টিস’ বলে এটিকে বৈধ করে ফেলতে চাচ্ছে। এটি পরিকল্পিত বলেও মনে করেন তারা।