ভাঙ্গুড়ায় পেট্রোল অকটেনের তীব্র সংকট, চরম বিপাকে মোটর সাইকেল চালকরা
ভাঙ্গুড়ায় পেট্রোল অকটেনের তীব্র সংকট, চরম বিপাকে মোটর সাইকেল চালকরা

ভাঙ্গুড়া(পাবনা)প্রতিনিধিঃ
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জালানী তেল পেট্রোল অকটেনের তীব্র সংকট টাকা দিয়েও মিলছে না । কয়েকদিন আগে ১৮০ টাকা তেখে ২০০ টাকা দিয়ে প্রতিলিটার জালানী তেল খোলা বাজারের বিক্রয় হয়েছে। তবে বর্তমানে প্রতি লিটার ২০০ টাকাতেও মিলছে না এই জালানী তেল। ফলে মোটর সাইকেল চালকেরা এক প্রকারের বিপাকে পড়তে হয়েছে। অনেকে তেল ক্রয় করতে না পেড়ে মোটর সাইকেল বের করছেন না। মোটর বাইকারদের দাবী, সুষ্ঠু ও সঠিকভাবে বাজার মনিটরিং করে স্বাভাবিক দামে পেট্রেল-আকটেনসহ জালানী তেলের মূল্য ঠিকসহ সহনীয় পর্যায়ে রাখা জরুরী।
জানা গেছে, মধ্য প্রচ্যে ইসরায়েল-আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের শুরু থেকেই পেট্রোল অকেটেনসহ ডিজেল তেলের দাম খোলা বাজারের সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশী দামে বিক্রয় শুরু করেন। প্রথম দিকে ১৩০/১৪০ টাকা প্রতি লিটার বিক্রয় করলেও পরে পর্যায়ে ক্রমে ১৫০/১৬০ প্রতি লিটার বিক্রয় করেন। কিন্তু বর্তমানে তেল পাওযা যাচ্ছে না বলে ১৯০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় পেট্রেল অকটেন বিক্রয় করছেন। কিছু দিন আগেও ভাঙ্গুড়া বাজারের অন্ততঃ ১০/১২ পয়েন্টে খেলা বাজারের বিভিন্ন মুদি দোকানের সামনে পেট্রেল অকটেনের তেল বেতলে করে বাহিরে রেখে বিক্রয় করত। কিন্তু বর্তমানে ভাঙ্গুড়া বাজারে কোথাও খোলা বাজারে তেল না পওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পূর্বে যারা পেট্রেল অকটেন বিক্রয় করতে এখন তারা পেট্রোল-অকটের বেতল লুকিয়ে রাখছেন। সাধারণত মোটর সাইকেল বাইকাররা তেল ক্রয় করতে চাইলে প্রথমেই তারা বলেন যে তেল নেই। অথবা তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু একটু টাকা বেশী বললেই বা দাম বেশী দিতে চাইলেই গোপন স্থান থেকে বেতলে করে তেল বের করে দিচ্ছেন। মোটর সাইকেল বাইকারদের সাথে খুচরা তেল বিক্রেতাদের অসহনীয় চড়া দামের লুকোচুরি এই অবস্থা যেন দেখার কেউ নেই।
সরেজমিন ভাঙ্গুড়া বাজারের বিভিন্ন পয়েন্ট ও মোড়ে ঘুরে দেখা গেছে আগে মুদি ও মোটর সাইকেল পার্টসের দোকানের সামনে পেট্রেল অকটেন তেল বেতলে করে বিক্রয় করলেও বর্তমানে ওই সকল দোকানের সামনে কোন ধরণের জালানী তেল বিক্রয়ের বোতল নেই। বিক্রেতারা বলছেন, তেল সরবরাহ নেই। তাই বিক্রয় বন্ধ রেখেছি। কিন্তু দাম বেশী দিলেই একাধিক স্থানে পেট্রেল-অকটেন পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে প্রতি লিটার ব্যক্তি বিশেষ এর নিকট থেকে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম নিচ্ছেন।
একাধিক বাইকার দের দাবী,পার্শ্ববর্তী চাটমোহর ফিলিং স্টেশনে থেকে তেল নিতে দীর্ঘ লাইনে ৩ তেকে চার ঘন্টা দাড়িয়ে থাকতে হয়। ভাঙ্গুড়া বাজারে তেল বিক্রয়ের দোকান গুলিতে প্রশাসনের মনিটরিং জোরদার করা উচিত।