পাবনায় ৪০০ বছরের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ঐতিহ্যবাহী জোড়বাংলা মন্দির অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে আছে। শহরের কালাচাঁদ পাড়ায় অবস্থিত এই মন্দিরটি পাবনা জেলার তালিকাভুক্ত দর্শনীয় স্থান হওয়া সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।
বেদির ওপর নির্মিত মন্দিরের সামনের অংশ ৭.৩১ বাই ৭.৯২ মিটার এবং নিচের অংশ ৬.১২ বাই ২.২৮ মিটার। ৭.০১ মিটার উচ্চতার মন্দিরটি দুই কক্ষবিশিষ্ট এবং এর দুই পাশে আটটি করে মোট ১৬টি স্তম্ভ দৃশ্যমান। ইটের বেদির ওপর দৃষ্টিনন্দন পোড়ামাটির কারুকার্য সংযোজন করা হয়েছে, যা মন্দিরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে। সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো দোচালা আকৃতির ছাদ।
১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে মন্দিরটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর এটি অবহেলায় পড়ে থাকে এবং ধীরে ধীরে কারুকার্য হারিয়ে যায়। ১৯৬০ সালে তৎকালীন পাবনা জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে মন্দিরের সংস্কার করা হলেও বর্তমানে তা আবারও জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। মন্দির প্রাঙ্গণ ঘাস, আগাছা আর জঙ্গলে পরিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মূল ভবনের পিলার ও দেয়ালের পোড়ামাটির শিল্পকর্ম ক্ষয়ের মুখে পড়েছে, আর সীমানা প্রাচীরেও ফাটল দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বছরের বেশিরভাগ সময় মন্দিরের প্রধান প্রবেশপথ তালাবদ্ধ থাকে। দর্শনার্থীদের জন্য এটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন পাবনাবাসী।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ বদরুল আলম -০১৭১২৯৫৭০৬৬,
নির্বাহী সম্পাদকঃ সফিক ইসলাম,-০১৭১৬৪৯২৪১৫,
বার্তা সম্পাদকঃ আব্দুর রহিম-০১৭১৫৮৪৪১৬২
Copyright © 2024 Protidinerjonopod